ইলিয়াস আলীসহ সিলেটের ২৪ নেতার আর্তগোপন

সাবেক মন্ত্রী ও এমপিরা গ্রেফতারের পর সিলেটের দুই ডজন রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি আত্মগোপনে চলে গেছেন। অফিস-বাসা কোথাও তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। মোবাইল ফোনও বন্ধ। অনেকে বাসার টেলিফোনও রিসিভ করছেন না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে_ বিএনপি, আওয়ামী লীগের যেসব নেতা বিগত দিনে দাপটের সঙ্গে চলেছেন, সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন তাদের কেউই এখন বাসায় নেই। কোথায় আছেন নিকটজনরাও বলতে পারছেন না। আবার কেউ কেউ ২২ জানুয়ারির নির্বাচনি তফসিল বাতিলের মুহূর্তেই দেশ ছেড়েছেন। এ সরকারের আমলে ফিরবেন কিনা তাও কেউ বলতে পারছেন না।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এ তালিকায় রয়েছেন সিলেটের অন-ত ২৪ নেতা। তাদের মধ্যে সাবেক এমপি ও কমিশনারও রয়েছেন। আত্মগোপনে রয়েছেন সাবেক এমপি ইলিয়াস আলী, দিলদার হোসেন সেলিম, মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সিটি ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল হক চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিসবাহউদ্দিন সিরাজ, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সামসুজ্জামান জামান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক, বিএনপি নেতা জুন্নুন মাহমুদ খান, আহমদ আরিফ, মিজানুর রহমান চৌধুরী, জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সিটি ওয়ার্ড কমিশনার জগদীশ চন্দ্র দাস, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট রণজিত সরকার, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি জিয়াউল গনি আরেফিন জিল্লুর, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ, সিটি ওয়ার্ড কমিশনার আবদুল কাদির সমছু, সেলিম আহমদ রনি, আশিক আহমদ, ফরহাদ চৌধুরী শামীম, মহানগর বিএনপির শ্রম সম্পাদক ও জালালাবাদ গ্যাস অফিসের সিবিএ নেতা মাসুক উদ্দিন, জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ও তেতলী ইউপির চেয়ারম্যান উসমান আলী, খাদিমনগর ইউপির চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বিধান কুমার সাহা ও দক্ষিণ সুরমা ছাত্রদলের সভাপতি কোহিনুর।
গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, এসব নেতাকে মোবাইল ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। ইলিয়াস আলীর তিনটি মোবাইল ফোন, ঢাকা ও সিলেটের দুটি টেলিফোনেও পাওয়া যায়নি। কোথায় আছেন তার নিকটজনদের কেউ বলতে পারেননি। তার সঙ্গে আত্মগোপনে রয়েছেন তার কয়েক অনুসারী। গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন দিলদার হোসেন সেলিমের বাসায় গিয়ে তাকে পাননি। মোবাইল ফোনেও পাওয়া যায়নি। একই অবস্থা মহানগর বিএনপির সভাপতি আরিফুল হক চৌধুরীরও। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ। বাসার টেলিফোনে ফোন করলে কেউ ধরছেন না। তার পাশে থাকতেন এমন নেতারাও লাপাত্তা। সামসুজ্জামান জামানের বাসায় ফোন করলে কেউ ধরেনি। একটি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেফতার এড়াতে তিনি দেশের বাইরে রয়েছেন। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এসব নেতা বিগত দিনে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। কেউ কেউ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দুনর্ীতি করেছেন। গত ১৫/২০ দিনে একাধিকবার আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বাসাবাড়িতে অভিযান চালিয়েছে।
সূত্রঃ http://jugantor.com/online/news.php?id=46724&sys=1

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: