শ্রীমঙ্গলে ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থার প্রতিটি সেবায় দুনর্ীতি

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ভূমি প্রশাসনের বিভিন্ন ৰেত্রে অনিয়ম, দুনর্ীতি ও দীর্ঘসূত্রিতার পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ফলে কাঙিৰত সেবা কার্যক্রম বিঘি্নত হয়ে জনসাধারণের দুর্ভোগ একটি স্থায়ী রূপ নিয়েছে। সচেতন নাগরিক কমিটি। টিআইবি শ্রীমঙ্গল পরিচালিত এক জরিপ রিপোর্টে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গত ১৬ মার্চ এখানে সাংবাদিক ও বিভিন্ন সত্দরের সুধীজনের উপস্থিতিতে এ সংক্রানত্দ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

সচেতন নাগরিক কমিটি শ্রীমঙ্গল-এর পরিচালনা এবং টিআইবির কারিগরি সহায়তায় মে-জুলাই ২০০৬ তিনমাসব্যাপী রিপোর্ট কার্ড তৈরির ভিত্তিতে জরিপ চালানো হয়। দৈবচয়িত পদ্ধতিতে শ্রীমঙ্গলের পলস্নী এলাকার ৩০টি গ্রাম ও শহরের ২০টি মহলস্নার ১৫৫টি খানায় গত দুই বছরে ভূমি অফিস থেকে সেবা গ্রহণকারীদের উপর এ জরিপ চালানো হয়। ভূমি সংক্রানত্দ যেসব বিষয় এ গবেষণায় অনত্দভর্ুক্ত ছিল সেগুলো হলোঃ জমি ক্রয়-বিক্রয়, খারিজ, নামজারী, ভূমি জরিপ, খাজনা পরিশোধ, দলিল সংগ্রহ প্রভৃতি।

গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলে জানা গেছে জমি কেনার সময় দলিল লেখক, লেখক সমিতি, সাব রেজিষ্ট্রী অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, দালাল, সাব-রেজিষ্ট্রার প্রমুখের খাতে প্রতি খানা পিছু ৫ হাজার ৬০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। জমির পরিমাণ, সীমানা নির্ধারণ, খারিজ সংক্রানত্দ ত্রম্নটি, দলিলে ভুল, মাঠ পর্চার অভাব প্রভৃতি উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের জন্য ঘুষের টাকা দিতে হয়েছে। জমি বিক্রি করতে গিয়েও একই ধরনের সমস্যা ও দীর্ঘসূত্রতার শিকার হয়েছেন লোকজন। জমির খাজনা পরিশোধ, জরিপ, দলিল খারিজ ও সংগ্রহ প্রভৃতি ৰেত্রে তাড়াতাড়ি জরিপ সম্পাদন, ত্রম্নটিপূর্ণ দলিল, সীমানা সমস্যা, পর্চার অভাব প্রভৃতি কারণে খানা প্রতি দেড় হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যনত্দ ঘুষ দিতে হয়েছে সংশিস্নষ্টদের।

প্রণীত এই জরিপ রিপোর্টটি অনেকাংশে যুক্তিযুক্ত বলে স্বীকার করেছেন শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)। তবে তুলনামূলকভাবে অপরাপর সরকারী বিভাগের চেয়ে ভূমি বিভাগে দুনর্ীতি অনেক কম বলে তিনি দাবি করেন। এ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতে কিছু পরামর্শ ও সুপারিশ তিনি তুলে ধরেছেন।

অপরদিকে শ্রীমঙ্গলের সাব রেজিষ্ট্রার এই জরিপ রিপোর্টটি প্রত্যাখ্যান করে এটিকে কাল্পনিক বলে উলেস্নখ করেছেন। রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত কারো কারো মতে জরিপ কাজটি আরো নিবিড়ভাবে সম্পাদন করতে পারলে প্রকাশিত ফলাফলের যথার্থতা আরো মজবুত হতো।

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা ।। গত ১৫ মার্চ হবিগঞ্জে গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল-এর চেয়ারপারসন মনছব আলীকে সংগঠনের জেলা শাখার পৰ থেকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। হবিগঞ্জ মুক্ত স্কাউটস ভবনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক পৌরসভা চেয়ারম্যান শহীদউদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জিএসসি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার আব্দুল মোছাবি্বর এমবিই। বক্তব্য রাখেন জিএসসি মৌলভীবাজার শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ছাদেক আহমদ, এড. আঃ হান্নান, এড. মোঃ আমীর হোসেন, এড. মনসুরউদ্দিন আহমেদ ইকবাল, এড. পুণ্যব্রত চৌধুরী বিভু, রোটারী ক্লাবের সভাপতি এম এ রাজ্জাক, এড. আলমগীর ভুইয়া বাবুল, এড. এম এ মজিদ খান, ফজলুর রহমান চৌধুরী, প্রকৌশলী ফনীভূষণ দাশ, সাবেক পৌর কমিশনার আঃ মোতালিব প্রমুখ। পরে শহীদউদ্দিন চৌধুরীকে সভাপতি ও এডভোকেট রম্নহুল হাসান শরীফকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০০৭-০৮ সালের জন্য জিএসসি হবিগঞ্জ জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

সূত্রঃhttp://www.ittefaq.com/get.php?d=07/03/28/w/n_ztkzur

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: